বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা রক্ষীদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়ার লালবাজারে
ডিজিটাল ডেস্ক , হাকিকত নিউজ , বাঁকুড়া : এআইটিইউসি অনুমোদিত সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়াকার্স ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের ডাকে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীদের এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়ার লালবাজারে,সভার সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের রাজ্য সহ সম্পাদক ও বাঁকুড়া জেলার ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক শ্রী সাধন দত্ত, সভায় বক্তব্য রাখেন এআইটিইউসির রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ও ইউনিয়নের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুব্রত দাস, মোবাইল টাওয়ারের কর্মীরা সভায় তাদের কর্ম ক্ষেত্রে নানা অসুবিধার কথা বলেন, ইন্দাস টাওয়ার লিমিটেড কোম্পানী ভোডাফোন, এয়ারটেল, আইডিয়া এবং জিওর মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীদের ও মেন্টেনেন্সের কন্টাক্ট পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন এজেন্সি কে দিয়েছে, বাঁকুড়া জেলায় ওয়েলকিন নামে একটি কোম্পানি কে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মী ও মেন্টেনেন্সের কন্টাক্ট দেওয়া হয়েছে, বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীরা ওয়েলকিন কোম্পানি অধীনে দীর্ঘ বছর ধরে কাজ করছে, কর্মী দের অভিযোগ কোম্পানি কর্মী দের ইএসআই কার্ডের মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাপারে গরমসি করছে , এবং পিএফয়ে বহু কর্মীর নাম,বাবার নাম, এবং বয়েসের তারিখ ভুল থাকায় কোম্পানিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও কোম্পানি এই ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত সেগুলো ঠিক করে দেয়নি,এই অভিযোগ শোনার পর শ্রী সুব্রত দাস ও সভা থেকে ঐ কোম্পানির বাঁকুড়ার অফিসের কর্তৃপক্ষ জানালে কোম্পানির লোক ততক্ষনাত কর্মী দের ইএসআই কার্ডের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেদেয় এবং কর্মী দের হাতে ইএসআই কার্ডের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়, এবং পিএফ য়েয় ক্রুটি শংসধনের ব্যাপারে দুমাসের মধ্যে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেয়, সভায় সুব্রত দাস বলেন নোট বন্দি তার পর করোনার পরিস্থিতিতে দেশে প্রায় 20কোটি শ্রমিক কাজ হারিয়েছে, মোদীর প্রাধান্যে জিওর কারনে লসে গিয়ে এয়ারসেল দেশ থেকে ব্যাবসা গুটিয়ে চলে গেছে,এখন ভোডাফোন আইডিয়ার সাথে বানিজ্যিক জোট বেঁধে বাজারে টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এয়ারটেলের অবস্থাও একই রকম,বিএসএনএল ও তেল ফোরানো প্রদীপের মতো জ্বলছে,এই সবই মোদীর রিলাইন্স কোম্পানির মাথায় হাত রাখার কারণে ঘটছে, মোদী চাইছে তার প্রীয় রিলাইন্স কোম্পানি যাতে আরো ফুলে ফেঁপে ওঠে এবং দেশে যাতে একমাত্র রিলনাইন্স ছাড়া আর কেউ টিকে থাকতে না পারে, তার জন্য যা যা কৌশল অবলম্বন করার মোদী সরকার সেই কৌশল অবলম্বন করছে, সুব্রত দাস আরো বলেন রাজ্য সরকার কর্মী দের জন্য যে নুন্যতম মজুরি ঘোষণা করেছে তা দিয়ে একটা পরিবার চলেনা,এখন ভোটের বাজনা বেজে গেছে, তাই ভোটের পর এই সমস্ত বিষয় নিয়ে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলবে এআইটিইউসি, এর পাশাপাশি এআইটিইউসি অল ইন্দিয়া কমিটি সিন্ধান্ত নিয়েছে এআইটিইউসি অনুমোদিত দেশের সমস্ত রাজ্যের এই কর্মের সাথে যুক্ত কন্টাক্টচুয়াল কর্মীদের নিয়ে অল ইন্দিয়া ফেডারেশন তৈরী করবে, তাহলে শ্রমিকদের দাবি গুলো নিয়ে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলতে সুবিধা হবে, এবং ঐ ফেডারেশনের সন্মেলন কোলকাতাতেই হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সভায় ইউনিয়নের সহ সম্পাদক শ্রী রাজু দাস বলেন আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই, আর যৌথ আন্দোলন সংগঠিত করে শ্রমিক ঐক্য তৈরী করাই আমাদের উদ্দেশ্য, দিনের পর দিন শ্রমিক দের ছাঁটাইয়ের আতঙ্ক গ্ৰাস করছে, তাই সবাই কে আগামী দিনে জোরালো আন্দোলনের জন্য তৈরী থাকতে হবে, সভায় ইউনিয়নের অন্যতম রাজ্য সহ সম্পাদক শ্রী সঞ্জীব নন্দী বলেন দিল্লীতে কৃষক আন্দোলন মোদী সরকারকে নারিয়ে দিয়েছে,দেশ জুড়ে শ্রমিক কৃষক ঐক্য দেশ জুড়ে আন্দোলন করছে,এই পদ্ধতিতেই আমাদেরও শ্রমিক স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হবে, ইউনিয়নের বাঁকুড়া জেলার সম্পাদক শ্রীসাধন দত্ত বলেন বাঁকুড়া জেলায় কোনো কর্মসংস্থান নেই, টাওয়ারের নিরাপত্তা রক্ষীদের চাকরি চলে গেলে তারা অনাহারে মরবে, তাই ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে যত বড় আন্দোলন করতে হবে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীরা প্রস্তুত,






