সিকিউরিটি এন্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের এক সভা অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়া স্টেশন সংলগ্ন ইমনকল্যাণ লজে
বেঙ্গল ডেস্ক, হাকিকত নিউজ, বাঁকুড়া : বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ার গুলোতে যে সমস্ত সিকিউরিটি কর্মী কাজ করছেন তারা দীর্ঘ বছর ধরে ইন্দাস টাওয়ার লিমিটেড কোম্পানির অন্তরগত ওয়েলকিন ইনফ্রা ইনটেলিকম সলিউশন নামক এজেন্সির অধীনে কর্মরত ছিলেন বর্তমানে ওয়েলকিন ইনফ্রা টেলিকম সলিউশন কোম্পানির কন্ট্রাক্ট বাতিল হয়ে অরাক্লেল নামক এজেন্সি বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের সিকিউরিটি কর্মীদের দ্বায়িত্ব পেলে ইউনিয়নের সাথে আলোচনা করে পুরানো সিকিউরিটি কর্মীদেরই পুনঃ বহাল করে নেয় ।ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানি তার অধীনে কোনো এজেন্সি কেউ কর্মীদের গ্ৰাচুইটির টাকা দেয়না,তাই এজেন্সি গুলো অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের গ্ৰাচুইটির টাকা দেয়নি এখনো পর্যন্ত দিতে পারেনি বলে সভায় উপস্থিত অরাক্লেল কোম্পানির বাঁকুড়া জেলার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গৌরাঙ্গ এবং কোম্পানির হেড অফিসের অপারেশন ম্যানেজার রুপ কুমার বাবু কর্মীদের জানাই, সভায় উপস্থিত এ আই টি ইউ সির রাজ্য সম্পাদক এবং আইটিসি অনুমোদিত সিকিউরিটি এন্ড অ্যালাইড ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ওয়েস্টবেঙ্গল ইউনিয়নের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাস কর্মীদের জানান যে ইএসআইসি, পিএফ, মিনিমাম ওয়েজেস গ্রাচুয়িটি এগুলোর জন্য কোন এগ্রিমেন্ট এর প্রয়োজন হয় না এটা শ্রমিকদের অর্জিত অধিকার লেবার আইন এই বিষয়ে পোস্টও ইঙ্গিত রয়েছে গ্রাচুয়িটি ইন্দাস টাওয়ার লিমিটেড কোম্পানিকে আইন অনুযায়ী দিতেই হবে এখন তারা দিতে অস্বীকার করছে ঠিকই কিন্তু আমরা যেভাবে আইনের দরজায় এই বিষয়টি নিয়ে গিয়েছি তাতে জয় করবি দেরি হবে, সুব্রত দাস বক্তব্যে আরও বলেন এ আই টি ইউ সি অল ইন্ডিয়া কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সারা ভারতবর্ষের সিকিউরিটি অ্যান্ড ওয়ার্কার্স কর্মীদের অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন তৈরি করবে, আগামী নভেম্বর মাসে 12 এবং 13 তারিখ কলকাতায় এই ফেডারেশানের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, কারণ আমরা বিভিন্ন কর্পোরেট সেক্টরে আন্দোলন করার সময় লক্ষ করেছি কলকাতা তথা পশ্চিমবাংলার ব্রাঞ্চ অফিস গুলোর ম্যানেজমেন্ট সভাপতি বলে থাকে এটা আমাদের কিছু করার নেই আমাদের হেড অফিস দিল্লি কিংবা মুম্বাই কিংবা হায়দ্রাবাদ, আপনারা আমাদের হেড অফিসের সাথে কথা বলুন কারণ হেড অফিস থেকে আমাদেরকে যেভাবে নির্দেশ দেয় আমরা চাকরি বাঁচাবার উদ্দেশ্যে সেই নির্দেশ মত সিকিউরিটি এজেন্সি দের নির্দেশ দিয়ে থাকি সেটা লোক ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রেই হোক বা অন্যান্য বিষয় হোক তাই আপনারা আমাদের হেড অফিসে গিয়ে আলোচনা করুন হেড অফিস আমাদেরকে যেটা করতে বলবে আমরা সেটাই করতে বাধ্য কারণ আমরা এই কোম্পানিতে চাকরি করি মাত্র।এই রকম সমস্যার সম্মুখীন আমরা বহু বছর ধরে হয়ে আসছি পশ্চিমবাংলায় যতটা সম্ভব আন্দোলন সংগঠিত করছি ঠিকই কিন্তু কর্পোরেট সংস্থাগুলোর দিল্লি মুম্বাই গুজরাট হায়দ্রাবাদ সহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে তাদের হেড অফিসের সাথে সেই ভাবে আন্দোলন সংগঠিত করা যাচ্ছে না । কিছু কিছু ক্ষেত্রে পশ্চিমবাংলা জুড়ে আন্দোলন করে কিছুটা সফল হলেও অনেক সময় পশ্চিম বাংলার বাইরে কর্পোরেট সংস্থার হেড অফিস হওয়ার কারণে আন্দোলনটা সেইভাবে জোরদার করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা সেই কারণেই কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা 100% করা সম্ভব হয় না আগামী নভেম্বর মাসের 12 এবং 13 তারিখ কলকাতায় অল ইন্ডিয়া সিকিউরিটি এন্ড এ্যালাইড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তাতে ছাড়া ভারতবর্ষজুড়ে যে শক্তিশালী ফেডারেশন কমিটি তৈরি হবে তারা নিজ নিজ রাজ্যে কর্পোরেট সংস্থাগুলোর হেড অফিস জোনাল অফিস রিজনাল অফিসে একযোগে আন্দোলন করতে পারবে তাহলে কন্ত্রাকচুয়াল কর্মীদের আন্দোলনটা দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হবে এতে শুধু এ আই টি ইউ সি এর অন্তর্গত কন্ত্রাকচুয়াল কর্মীরাই উপকৃত হবেন ,তা নয় ভারতবর্ষের সমস্ত কন্ট্রাক্টচুয়াল ওয়ার্কার্সরা এই অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন দারা উপকৃত হবেন,দেশে এই প্রথম এ আই টি ইউ সির মত সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়ন কন্ত্রাকচুয়াল ওয়ার্কার দের নিয়ে এই ভাবণা ভেবেছে





