সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়নের ডাকে হাওড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা রক্ষীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হলো হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে
বেঙ্গল ডেস্ক, হাকিকত নিউজ, হাওড়া : এআইটিইউসি অনুমোদিত সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের ডাকে হাওড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের নিরাপত্তা রক্ষীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হলো হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে।সভায় ইউনিয়নের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও এআইটিইউসির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুব্রত দাস বললেন লকডাউন এবং করোনা অতিমারী উপেক্ষা করে ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানির মোবাইল টাওয়ার পরিশেবা সচল রেখেছে টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীরা। অমানবিক ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানি তার পরেও কর্মী ছাঁটাইয়ের ফন্দি করে চলেছে, আন্দোলন সংগঠিত করে এখনো পর্যন্ত ছাঁটাই টা রোখা গেছে, কিন্তু ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানি তার নিয়োজিত সিকিউরিটি এজেন্সি গুলোকে টাওয়ার থেকে নিরাপত্তা রক্ষীদের ছাঁটাইয়ের জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করেই চলেছে। বহু কর্মী অবসর নিয়েছে, কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাদের গ্ৰাচুরিটি টাকা দিতে অস্বীকার করছে,ইন্ডাস টাওয়ার। কোম্পানির বক্তব্য টাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের কর্মচারী নয়, সিকিউরিটি এজেন্সির অধীনে তারা কাজ করে তাই তারা সব কিছু দেবে। স্বীকৃত শ্রম আইন অনুযায়ী প্রিন্সিপাল নিয়োগকর্তা হিসেবে ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানিকেই গ্ৰাচুইরিটি দিতে হয়, কিন্তু তারা আইন সঙ্গত কথা বলছেন না , এজেন্সি কে পিন্সিপাল এমপ্লয়ার টাকা না দিলে এজেন্সি টাকা দিচ্ছে না, জানা যাচ্ছে এজেন্সি গুলোর সাথে নাকি গ্ৰাচুইরিটি কোনো এগ্ৰিমেন্ট হয়নি, সুব্রত দাস বলেন ঐ এগ্ৰিমেন্ট বেআইনি। কারন লেবার আইনে শ্রমিকদের যা যা প্রাপ্য সেটা আইনত দিতে হবে, গ্ৰাচুইরিটি সেই আইনের মধ্যেই পরে, এটা নিয়ে আইনই লড়াইয়ের পাশাপাশি সাংগঠনিক লড়াইও চলছে, শ্রমিকরা সবাই আরো তীব্র লড়াইয়ের দ্বাবী জানায়, লকডাউন এবং করোনা সংক্রমণের কারনে লড়াইটা কিছুটা বাধা প্রাপ্ত হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই শক্তিশালী ঐক্যতৈরী করে তীব্রতর লড়াইয়ে নামতে হবে।






