মালদহের চাঁচল-২ নং ব্লকের ক্ষেমপুর পঞ্চায়েত দপ্তরের বিজেপির গন- ডেপুটেশন
ডিজিটাল ডেস্ক, হাকিকত নিউজ, মালদা : আবাস যোজনা মিলতে গেলে কাটমানি, জনবহুল এলাকায় নেই পানীয় জলের ব্যবস্থা ও বেহাল রাস্তার সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে বাসিন্দারা। একাধিক দাবি নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ অবস্থান চলল বিজেপির। সোমবার মালদহের চাঁচল-২ নং ব্লকের ক্ষেমপুর পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে তেতে উঠে ক্ষিপ্ত জনসাধারণও। বিজেপির নেতৃত্বেই এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকার মানুষ জড়ো হয় পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে। প্রায় দুই ঘন্টা ওই বিক্ষোভ কর্মসূচি চলে। পরে পাঁচজনের প্রতিনিধি দল প্রধানের দপ্তরে গিয়ে এলাকার একাধিক দাবি নিয়ে আলোচনায় বসেন।দীর্ঘক্ষন আলোচনার পর সাত দফা দাবির ডেপুটেশন তুলে দেওয়া হয় ক্ষেমপুর জিপির প্রধান সম্পা রানী সিনহার হাতে। মূলত ক্ষেমপুর অঞ্চল আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। প্রায় তিনশোর বেশি বিভিন্ন গ্রামের মানুষ বিক্ষোভে সামিল হয়। ঢাকঢোল থেকে শুরু করে আদিবাসী নৃত্যেও চলে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। এদিন বিক্ষোভকারী আদিবাসী বধূ অশোকা কিসকু অভিযোগ করে বলেন,আমাদের কালিগঞ্জ গ্রামের রাস্তা বেহাল,সংস্কারের হেলদোল নেই কারোও।তাছাড়া এলাকায় জলের অভাব। জনবহুল এলাকাতে পর্যাপ্তপরিমানে সাব-মার্সিবল বসেনি গ্রামে। চড়ুলমনি গ্রামে দৃষ্টিহীন বৃদ্ধার অভিযোগ,উপার্জন কারী কেউ নেই আমার স্বামী দাদনে গিয়ে কাজ করত।বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারনে গ্রামেই থাকতে হচ্ছে।১০০ দিনের কাজ মেলেনা। মেলেনি আবাস যোজনা সহ কোনো ভাতা।পরিপ্রেক্ষিতে আজকে বিজেপির ডেপুটেশনে সামিল হয়েছি বলে জানিয়েছেন তিনি।





