নবদ্বীপে মানসিক অবসাদে নৌকা থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ এক মহিলার,মাঝিদের চেষ্টায় উদ্ধার
এক মহিলার। পরে মাঝিদের চেষ্টায় উদ্ধার হয় ওই মহিলা। ঘটনাটি ঘটে রবিবার দুপুরে নবদ্বীপঘাট -স্বরূপগঞ্জের মাঝামাঝি গঙ্গা নদীতে। মাঝিরা ওই মহিলাকে জল থেকে উদ্ধার করার পর পুলিশ ও জলসাথীর কর্মীরা ওই মহিলাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে ওই মহিলার নাম পিঙ্কি দত্ত ( ৪০ )। তার বাড়ি কৃষ্ণনগর পৌরসভার ঘূর্ণির চারাবাগান এলাকায়। এই ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় নবদ্বীপ খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানতে পারা যায়, নবদ্বীপের গঙ্গা থেকে উদ্ধার হওয়া ওই মহিলার স্বামী পিন্টু দত্ত একজন জেলা পরিষদের কর্মী। খবর পেয়ে বেলা দুটো নাগাদ নবদ্বীপ হাসপাতালে পৌঁছান পিঙ্কি দেবীর স্বামী পিন্টু দত্ত। হাসপাতালে দাঁড়িয়ে পিন্টু বাবু জানান, “এদিন সকালে একটু কাজ আছে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তারপর জলসাথীর কর্মীরা ফোনে বিষয়টি জানালে, হাসপাতালে ছুটে আসি”। তিনি জানান, “দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে আমার স্ত্রী মানসিক রোগে ভুগছেন। তার চিকিৎসাও চলছে”। পিন্টু বাবুর অভিযোগ, “মাঝেমাঝেই না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান স্ত্রী পিঙ্কি। খোঁজাখুঁজি করে বাড়িতে নিয়ে আসতে হয়”। তিনি জানান,”গত ১৪ এপ্রিল ঠিক এমনভাবে বাড়িতে কিছু না বলে বেরিয়ে গিয়েছিল”। পিন্টু বাবুর অভিযোগ, ” মানসিক রোগেগ্রস্ত হওয়ায় আমার স্ত্রীর বাপের বাড়িতে গেলে তার বাবা মাও আর কোনো দায়িত্ব নিতে চাইছে না। বাড়িতে আমি ও স্ত্রী ছাড়া আমাদের ৬ এবং ৮ বছরের দুটি পুত্র সন্তান আছে”। পিন্টু বাবুর কথায়, “আমি একা মানুষ। আমার পক্ষে সব সময় লক্ষ রাখা কি সম্ভব। তাহলে তো চাকরিটাই ছেড়ে দিতে হয়”।





