সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সভা অনুষ্ঠিত হলো বীরভূম জেলার তারাপীঠ শহরে
বেঙ্গল ডেস্ক, হাকিকত নিউজ, বীরভূম : এআইটিইউসি অনুমোদিত সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের বীরভূম জেলার সভা অনুষ্ঠিত হলো বীরভূম জেলার তারাপীঠ শহরে । সভায় এআইটিইউসির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও ইউনিয়নের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাস কর্মীদের বক্তব্য শোনার পর তিনি বক্তব্য রাখেন, তিনি বলেন কর্মীদের মধ্যে এ বি ও সি জোন করে সরকার দেশের শ্রমিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছে । সরকার এক দেশ এক ট্যাক্স করেছে তাহলে এক দেশ এক মিনিমাম ওয়েজ হবে না কেন? এই রকম আরো অনেক ন্যায্য দাবি নিয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় স্তরে আন্দোলন করতে হবে। আগামী নভেম্বর মাসে ১২ এবং ১৩ তাড়িখ এআইটিইউসির অধীনে দেশের সমস্ত কন্ত্রাকচুয়াল কর্মীদের নিয়ে অল ইন্ডিয়া ফেডারেশনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোলকাতায়, তিনি আরো বলেন সন্মেলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী যে কমিটি গঠন হবে তারা বিভিন্ন রাজ্যের কর্পোরেট সংস্থাগুলোর সাথে অনায়াসেই লড়াই সংগ্রাম করতে পারবে, তার জন্য পশ্চিমবাংলা থেকে শ্রমিকদের অত বেশি বেশি করে উপস্থিত না হলেও চলবে,কারন সেই রাজ্যের নেতারা ঐ রাজ্যের এআইটিইউসির রাজ্য কমিটি এবং জেলা কমিটি গুলোকে সাথে নিয়ে শ্রমিক শোষন কারী কোম্পানি গুলোর অপর জোরদার শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে।কারন কোলকাতা সহ রাজ্যের অধিকাংশ কোম্পানির হেড অফিস পশ্চিমবাংলার বাইরের রাজ্যে।এতে দেশের সমস্ত কন্ত্রাকচুয়াল কর্মীদের বন্ধুরাই উপকৃত হবে,এই ফেডারেশন গঠনের সিদ্ধান্ত এআইটিইউসির একটা ঐতিহাসিক সিন্ধান্ত, সভায় উপস্থিত ইউনিয়নের রাজ্য সহ সম্পাদক রাজু দাস বলেন আমাদের ইউনিয়ন কে দমিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে, আমাদের ইউনিয়নের নামে কর্মীদের ভুল তথ্য দিয়ে বোঝানোর চেস্টায় কর্মীদের চারিদিকে ছড়িয়ে দিয়েছে, তাতে আমার বিচলিত নই । বিভিন্ন কোম্পানির সাথে আঁতাত করে নতুন লোক ঢোকানোই তাদের অন্যতম কাজ, তাদের এই কীর্তি কলাপ সবাই বুঝতে পারছে, মুখ বন্ধ রেখে সবাই চোখ কান খোলা রেখেছে, ঠিক সময় এর বিস্ফোরণ ঘটবেই, সুধু সময়ের অপেক্ষা, কোলকাতায় যৌথ আন্দোলন কে আমরা সমর্থন করি, কিন্তু এখানেও নেপোয় মারে দই।এটাও বেশি দিন চলবে না,এই ভাবে যৌথ আন্দোলন সম্ভব না,যে কোনো দিন এটা ভেঙ্গে যাবে এতে অবশ্যই শ্রমিকদের ক্ষতি হবে, তার দায় সেই সংগঠন কেই নিতে হবে, তিনি আরো বলেন যে আমাদের শ্রমিক কল্যাণ মুলক কর্মসূচি কে অনেকেরই মেনে নিতে কষ্ট হয়, কিন্তু আমরা আমাদের সিন্ধান্ত থেকে সরে আসিনি, আমাদের কোয়ানটিটির প্রয়োজন নেই কোয়ালিটির প্রয়োজন।





