নবদ্বীপের রাসে কমলো ভিড়, এবছর আসেননি দূরদূরান্তের মানুষ, হতাশ পরিবহনের কর্মী ও ব্যবসায়ীরা
দিবাকর দাস, হাকিকত নিউজ, নদিয়া : করোনা আবহে এবছরের নবদ্বীপ শহরের ঐতিহ্যবাহী রাস পুজোর চেনা চিত্রটি অনেকটা পাল্টে গেল। প্রতি বছর রাস উৎসব দেখতে দূরদূরান্ত থেকে নবদ্বীপ শহরে আসেন অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মানুষ, যার মধ্যে বেশিরভাগ আসেন বৃদ্ধ ও বৃদ্ধারা, নবদ্বীপের রাসে এসে বিভিন্ন দেবদেবীর পুজো ও মঠ মন্দিরে মেতে ওঠে মানুষজন। নবদ্বীপ শহরের বিভিন্ন জায়গায় রাস উৎসবকে কেন্দ্র করে হয় মেলা ও সংকীর্তন অনুষ্ঠান। কিন্ত এবছর অতিমারী পরিস্থিতিতে রাস উৎসবে তেমন ভাবে দেখা গেল না দূরদূরান্তের মানুষদের, যার জেরে অনেকটা দুশ্চিন্তায় অটোচালক, বাসকর্মী ও বিভিন্ন পণ্য সাজিয়ে বসা ব্যবসায়ীরা। রাস উৎসবকে কেন্দ্র করে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়, প্রচুর বিক্রি হয় বিভিন্ন পণ্যের, কিন্ত এবছর একেবারেই বিক্রি হয়নি জানাচ্ছেন রাস্তার পাশে বিভিন্ন পণ্য সাজিয়ে বসা ব্যবসায়ীরা। এর পাশাপাশি অন্যান্য বছরের মতন যাত্রী না হওয়ায় হতাশ অটোচালক ও বাস কর্মীরা। সারা বছর নবদ্বীপ মায়াপুরে দূরদূরান্তের মানুষের আনাগোনা থাকলেও এই রাস উৎসবের দিন গুলিতে একটু বেশি আয়ের আশায় থাকতেন টোটো,অটো, বাস পরিবহনের সাথে যুক্ত কর্মীরা, কিন্ত এবছর কেউ আসছেনা, এমনিতেই অর্ধেক বছর ঘুরে গেল লকডাউনের মধ্যে, কেনো আয় ছিল না, রাসে যাত্রী হবে দুটো পয়সা আয় হবে আশা করেছিলেন তারা, তারা জানালেন রাসে এবার যাত্রীর ভিড় নেই। এবছর নবদ্বীপ শহরের এলানিয়া কালী মাতা, তেঘরিপাড়ার বড় শ্যামা মাতা, ব্যাদরাপাড়ার শব শিবা মাতা, গৌরাঙ্গিনী মাতার পুজো প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেয় পুজো কমিটিগুলি, এবছর বড় শ্যামা মাতায় কোনো রকম মানসিক, অঞ্জলি ও ভোগের ব্যবস্থা করা হয়নি জানিয়েছে পুজো কমিটি।




