ঠাকুর দেখার আবেগে ভাসলো কৃষ্ণনগরবাসী, বিসর্জনে ঠাকুরের সাথে হাঁটলেন অসংখ্য মানুষ
দিবাকর দাস, হাকিকত নিউজ, নদিয়া : মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই কৃষ্ণনগর শহরে শুরু হয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোর নিরঞ্জন পর্ব। মহামান্য আদালতের নির্দেশ মান্যতা দিয়ে এবছর কোনো পুজো কমিটি সাঙে বিসর্জন করেনি, বরং রাসের চাকাগাড়ি, ট্রাক, ট্রাক্টর এ চাপিয়ে ঠাকুর বিসর্জনের জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় কদমতলা ঘাটে। বিকেল ও সন্ধ্যা সময়ে বিসর্জনের মূল রাস্তা কৃষ্ণনগর পোষ্ট অফিস মোড় থেকে কদমতলা ঘাট অবধি রাস্তা মোটামুটি ফাঁকাই ছিল, কিন্ত রাত বাড়তেই রাস্তা ভরে উঠল, সামাজিক দূরত্ব বজায় রইলো, অসংখ্য মানুষ রাস্তার চারপাশে ভিড় করে ঠাকুর বিসর্জন দেখলেন, ঠাকুরের সাথে অসংখ্য মানুষ ঠাকুরের সাথে হাঁটতে লাগলেন ঘাটের উদ্দেশ্য। তবে কদমতলা ঘাটের আগে ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয় আমজনতাকে, পুজো কমিটির কিছু লোক ছাড়া ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেয় না পুলিশ। মালোপাড়া বারোয়ারি ঠাকুর নিয়ে ঢুকতে গেলে ঠাকুরের সাথে আসা সবাই ঢুকতে চেষ্টা করে, পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করাতে ঠাকুর ফেরত নিয়ে যেতে শুরু করেন পুজো কমিটির সদস্যরা। এরপর পুলিশের সাথে কথাবার্তা হওয়ার পর ঠাকুর বিসর্জন হয়। মঙ্গলবার সারারাত ধরে মূল বড় ঠাকুরগুলির বিসর্জন চলার পর, বুধবার রাতে আবার বাকি প্রতিমাগুলির বিসর্জন হয়েছে।




