আজ প্রদেশ কংগ্রেস দফতর বিধান ভবনে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের শতবর্ষ স্মরণে সভা আয়োজন করা হয়েছিল
নন্দ দুলাল ভট্টাচার্য, হাকিকত নিউজ, কোলকাতা : ( ২০ অক্টোবর ১৯২০- ৬ নভেম্বর ২০১০) প্রদেশ কংগ্রেস দফতর বিধান ভবনে আজ সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের শতবর্ষে একটি স্মরণে সভা আয়োজন করা হয়েছিল, এই স্মরণ সভায় আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য সহ প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই উপলক্ষে স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে প্রদীপ ভট্টাচার্য বললেন যে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রায় দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছরের ছিল। বিধান চন্দ্র রায়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী যিনি বাংলা কে নতুন করে তৈরি করেছেন। আজকে আমরা পশ্চিম বাংলায় BDO অফিস এবং এরিয়া ডেভলপমেন্টের যে কন্সেপ্টা দেখছি সেই এরিয়া ডেভলপমেন্টের সমস্ত পরিকল্পনা আর কৃষি উন্নয়নের সমস্ত পরিকল্পনা সিদ্ধার্থ শঙ্করের রায় করেছিলেন। নদীয়া জেলায় গম উৎপাদনের এমন পরিমান বৃদ্ধি করলেন যেটা ভারত বর্ষে সকলকে আকর্ষণ করেছিল।সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ব্যক্তিগত জীবনে খেলার একান্ত অনুরাগী ছিলেন ক্রিকেট খেলতেন, টেনিস খেলতেন আজকে ইনডোর স্টেডিয়াম, সল্টলেক স্টেডিয়াম তার তৈরি এবং পশ্চিম বাংলার মাটিতে বহু উন্নয়নের পিছনে বিধান রায়ের পর যদি কারো সাক্ষর থেকে থাকে তা হলে সেটা সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের I তিনি কোনো দিনও প্রচার মুখী ছিলেন না তিনি বাংলা কে ভালোবাসতেন বাংলার মানুষ কে পছন্দ করতেন তার বিভিন্ন কাজের মধ্যে দিয়ে আমরা বার বার সেই জিনিস লক্ষ্য করেছি । আজ একশতম বর্ষ পূরণ হচ্ছে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের, ঘটনা বহুল তার এই দীর্ঘ জীবনে তিনি বাংলার মাটিতে একটা জিনিশ প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে গেছেন যে বাংলার মাটি প্রগতিশীল এবং অসাম্প্রদায়িক। তার ক্যাবিনেটে ৫ জন দায়িত্বশীল মন্ত্রী ছিলেন মাইনোরিটি কমুনিটির যে ক্ষমতা আজ পর্যন্ত কোনো মন্ত্রী সভার কোনো মুখ্যমন্ত্রীর হয়নি। তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ অসাম্প্রদায়িক মানুষ কিন্তু কখনও ভেগ ধরেন নি. সেই মানুষটিকে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছি।





