সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের ডাকে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের

বেঙ্গল ডেস্ক, হাকিকত নিউজ, বাঁকুড়া : আজ (৮/৮/২০২১) এআইটিইউসি অনুমোদিত সিকিউরিটি এন্ড এলাইড ওয়ার্কাস ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিয়নের ডাকে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের কর্মী সদস্যদের এক সভা অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়া টাউনে, সভায় প্রায় ১২০ জন কর্মী সদস্য উপস্থিত হয়, সভায় ইউনিয়নের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও এআইটিইউসির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুব্রত দাস বলেন ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানির অন্যতম কট্রাক্টর ওয়েলকিন টেলিকম ইনফ্রা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর অধীনে কর্মরত বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের সিকিউরিটি কর্মীরা কোম্পানির গাফিলতির কারণে বিভিন্ন সমস্যার সন্মুখীন হচ্ছে, যেমন পিএফ য়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ কর্মীদের নামের ভুল, বাবার নাম ভুল,ডেট অফ বার্থ ভুল করে রেখেছে, সে ক্ষেত্রে যারা অবসর নিয়েছেন বা মারা গিয়েছেন তারা পিএফের টাকা পাচ্ছে না, এবং পেনশন সহ সমস্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন,এটা কোম্পানি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে রেখেছে বলে ইউনিয়নের মনে করে,এই ব্যাপারে প্রিন্সিপাল ও ওয়েলকিন কোম্পানিকে লিখিত কয়েকবার জানানো হয়েছে, তারা পিএফ দপ্তরের উপর দ্বায় চাপাচ্ছে, এই ব্যাপারে আর সময়ে না দিয়ে অবিলম্বে এই ব্যাপারে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি ইউনিয়নের সাংগঠনিক লড়াই সংগঠিত করা হবে, এবং আইন অনুযায়ী প্রিন্সিপাল এমম্পোয়ার হিসেবে ইন্ডাস টাওয়ার কোম্পানিকেই এর দায়ভার নিতে বাধ্য করাতে হবে, সুব্রত দাস আরো বলেন ইন্ডাস টাওয়ার ম্যানেজমেন্ট তার অধীনে থাকা সমস্ত কট্রাকক্টর দের মোবাইল টাওয়ার থেকে টাওয়ারের সিকিউরিটি কর্মীদের ছাঁটাইয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে,এই ব্যাপারে কিছু দিন আগে আমাদের ইউনিয়ন সহ আরো কয়েকটি ইউনিয়ন যৌথ আন্দোলন সংগঠিত করা হয়েছিল,এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে, পাশাপাশি সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করতে হবে কারন বাংলায় কোনো কর্ম সংস্থান নেই, তাই কোনো মতেই কর্মী ছাঁটাই বরদাস্ত করা যাবে না, তার জন্য যা করার করতে হবে, বাঁকুড়ার কর্মীরা মেরুদন্ড সোজা রেখে লড়াই করতে জানে,এর আগেও বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের কর্মীরা মোবাইল টাওয়ারে ঐতিহাসিক আন্দোলন সংগঠিত করেছিল সেই সময় ফ্রন্টলাইন কোম্পানীর অধীনে বাঁকুড়া জেলার মোবাইল টাওয়ারের কর্মীরা কাজ করতো,তাই ইন্ডাস ম্যানেজমেন্ট বাংলায় টাওয়ারের কর্মী দের ছাঁটাইয়ের সিন্ধান্ত নিলেই আমরা আন্দোলনের ঝর তুলবো, তার জন্য যা ক্ষয় ক্ষতি হবে কোম্পানী দায়ী থাকবে, কারন এটা পেটের লড়াই, এর পর সভায় ইউনিয়নের রাজ্য সহ সম্পাদক রাজু দাস বলেন বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রমকোড শ্রমিক শ্রেণীর পরিপন্থী নয়। বর্তমান পরিস্থিতি তে শ্রমিক শ্রেণীর করোনা সংক্রমণ এবং কর্ম সংকোচনের ফলে নাজেহাল অবস্থা। তাই বাংলায় ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, আপনারা তৈরী থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Search Videos